
ক্রীড়া সাংবাদিক

এই অদ্ভুত চুপচাপ, নির্বিকার স্বভাবের কারণে ওলিস একটা নাম পেয়েছেন। তা হল - ‘মিস্টার ননশ্যালান্ট’ বা শান্ত, নির্বিকার স্বভাবের একজন মানুষ। তবে ফুটবল পায়ে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন মানুষ। লন্ডনে জন্ম নেওয়া এই ফরাসি প্লেমেকারকে দূর থেকে যতোটা নির্লিপ্ত মনে হয়, বাস্তবে তিনি এর ঠিক উল্টোটাই।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে জোড়া গোলে ফ্রান্সকে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতিতে জিনেদিন জিদান চলে আসেন পাদপ্রদীপের চূড়ায়। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স জিদান উপহার দেন ৮ বছর পর। প্রতিপক্ষ সেই ব্রাজিলই!

এই যখন বাস্তবতা, তখন আগামীতে কে চাইবে শুধু টেস্ট খেলতে? তামিম ইকবালের বোর্ডকে দিতে হবে এই প্রশ্নের উত্তর আর সরকারকে নিতে হবে কার্যকরী পদক্ষেপ। কেবল তাহলেই তরুণরা টেস্ট ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে চাইবেন।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মহলে নজর কেড়েছে নাহিদের আগ্রাসন। যার সামনে নাভিশ্বাস উঠেছে জস ইংলিস-ক্যামেরন গ্রিনদের মত ব্যাটসম্যানদেরও। তাদের দিকে তেড়ে গেছেন, আবার বাউন্সারে বিভ্রান্তও করেছেন।

বিসিবিতে এখন বইছে নির্বাচনের বাতাস। ফলে ঈদের পর ডিপিএলের বাকি অংশে ভাত নিয়ে যত কাণ্ড, তার সুরাহা হওয়ার সম্ভাবনা কমই। ফলে প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের মধ্যে যে পার্থক্য, সেটা অন্তত এবারের ডিপিএলে সমাধানের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী আসরে কী হবে?

ধাপে ধাপে বিপিএলকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে, যাতে একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা পাওয়া যেন সোনার হরিণ হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে তাতে বড়জোর কেউ স্বপ্ন দেখতে পারবেন বিপিএলের দল পাওয়ার। সেটা বাস্তবে রুপ দিতে করতে হবে বিনিয়োগ, দিতে হবে পেশাদারত্বের পরিচয়। সেটা হবে তো?

তিন ফরম্যাটের চিত্রটা যা দাঁড়াচ্ছে তা হলো, এই মুহূর্তে পেস বোলিংই বাংলাদেশের শক্তির জায়গা। অধিকাংশ ম্যাচ জেতাচ্ছেন তারাই। কাকে রেখে কাকে খেলাবেন, সেই মধুর বিড়ম্বনায় তাই প্রায়ই পড়তে হচ্ছে নির্বাচকদের। আর এভাবেই বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

ওয়াকারের কথা রেখে চলেছেন নাহিদ। চলমান পিএসএলে খেলছেন পেশোয়ার জালমির হয়ে। এখন পর্যন্ত খেলেছেন তিন ম্যাচ, উইকেট নিয়েছেন ৫টি। এই পরিসংখ্যান দেখে বলতেই পারেন, এ আর এমন কী! তবে না, এই তিন ম্যাচে নাহিদের গতির আগুনে রীতিমতো কাঁপছে পিএসএল। সেরা বোলিংটা করেন করাচি কিংসের বিপক্ষে। চার ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৭

সরকার পতনের পর ভারত ও পাকিস্তানের মাটিতে দুটি সিরিজ খেলেছিলেন কিছুটা নীরবেই। তবে এরপর তাকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে। কার্যত সেখানেই দেশের ক্রিকেটে সাকিবের শেষটা দেখে ফেলেছিলেন অনেকেই।